শনিবার (০৪ এপ্রিল) প্রেসটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, বিভিন্ন প্রদেশে সমন্বিত অভিযান চালিয়ে এসব লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে। খোমেইন ও জানজান অঞ্চলে দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ইসফাহানে দুটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং বুশেহরে একটি হারমেস ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করা হয়।
একই দিনে মধ্য ইরানে একটি উন্নত যুদ্ধবিমানও ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানায় আইআরজিসি। তাদের দাবি অনুযায়ী, বিমানের পাইলট এখন নিখোঁজ। অন্যদিকে ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালির কাছে দক্ষিণাঞ্চলের আকাশে একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট II যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছে, যা পরে পারস্য উপসাগরে বিধ্বস্ত হয়।
ইরান আরও দাবি করেছে, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে দেশের আকাশসীমা আরও শক্তিশালী ও সুরক্ষিত করা হবে বলেও জানানো হয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে চলমান হামলার জবাবে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরান। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবোলফজল শেখারচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের হামলার জন্য অনুতপ্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিরোধ অভিযান চলবে।
তিনি আরও জানান, ইরানের কৌশল শুধু পাল্টা হামলায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং আক্রমণকারী পক্ষকে এমনভাবে জবাব দেওয়া হবে যাতে ভবিষ্যতে তারা আর এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে না পারে। ইরানের লক্ষ্য সাময়িক বিরতি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে হুমকি দূর করা।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে ইরান নিয়মিতভাবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য হিসেবে ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত এলাকা এবং অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।