প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা। এর মধ্যে জর্ডানের একটি বিমান ঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শুক্রবার ভোরে ইরানের সামরিক বাহিনী জানায়, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। একই সময়ে কাতারের রাজধানী দোহায় কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাওয়ার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা। কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের ফলে ছিটকে আসা ধাতব টুকরোর আঘাতে এক শিশু আহত হয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা আরও দুর্বল করার লক্ষ্যে তারা দেশটির বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে রাতভর অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব হামলার আওতায় ছিল কেশম দ্বীপ ও বন্দর আব্বাসের আশপাশের অঞ্চল, যেখানে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নৌ ও সামরিক স্থাপনাগুলো অবস্থিত।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও যুদ্ধজাহাজের সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের দাবি, এসব হামলায় ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষা কেন্দ্র, সামরিক রসদ অবকাঠামো এবং সামুদ্রিক সক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।