প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপ, এশিয়া ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশ থেকে গোলাবারুদ, অস্ত্রের যন্ত্রাংশ ও সাঁজোয়া যান ইসরায়েলে পাঠানো হয়েছে। এসব দেশের অনেকেই আবার আন্তর্জাতিক গণহত্যা প্রতিরোধ কনভেনশনের সদস্য।
ইসরায়েলি কর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায়ের পরও অস্ত্র আমদানি কমেনি, বরং বেড়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ২ হাজার ৬০৩টি সামরিক চালান ইসরায়েলে পৌঁছায়, যার মূল্য প্রায় ৮৮ কোটি ডলার।
অস্ত্র পাঠানো শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, রোমানিয়া, তাইওয়ান ও চেক প্রজাতন্ত্র। এসব চালানের বড় অংশই ছিল গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক সামগ্রী।
এদিকে স্পেন, কানাডা ও ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশে ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র বিক্রির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়। কোথাও কোথাও শ্রমিকরা সামরিক সরঞ্জামবাহী জাহাজ খালাস করতেও অস্বীকৃতি জানান।
আল জাজিরা জানায়, ইসরায়েলের কাস্টমস ডেটাবেজ বিশ্লেষণ করে অস্ত্র আমদানির তথ্য পাওয়া গেছে। বিভিন্ন কোডের মাধ্যমে বোমা, মিসাইল, গ্রেনেড, রকেট লঞ্চার, গোলাবারুদ ও সামরিক যন্ত্রাংশের আমদানির তথ্য শনাক্ত করা হয়।