আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সামরিক ও নিরাপত্তা উপদেষ্টারাও যুক্ত ছিলেন। মার্কিন পক্ষ জানায়, বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সংঘাত কমানোর বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে।
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। সেই চুক্তির মেয়াদ আগামী রোববার শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটি আরও দেড় মাস বহাল থাকবে।
দীর্ঘদিনের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গত ২ মার্চ ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দক্ষিণ লেবাননে অভিযান শুরু করে। লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহর অবস্থান ও সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা। এরপর পরিস্থিতি দ্রুত সংঘাতে রূপ নেয়।
এই সংঘাতের সময় দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। বিভিন্ন মানবাধিকার ও সংবাদমাধ্যমের তথ্যে বলা হয়েছে, হাজার হাজার মানুষ নিহত ও আহত হন এবং বিপুল সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে নিরাপদ এলাকায় আশ্রয় নেয়।
ওয়াশিংটন জানিয়েছে, আগামী ২৯ এপ্রিলের মধ্যে একটি নতুন নিরাপত্তা কাঠামোর প্রস্তাব প্রস্তুত করা হবে। এরপর জুনের শুরুতে আবারও দুই দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠকে বসার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে স্থায়ী সমাধানের পথ খোঁজা হতে পারে।