যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পর ইরান অঞ্চলজুড়ে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। কুয়েত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডানের বিভিন্ন স্থাপনা এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এর ফলে চলমান যুদ্ধবিরতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এক বিবৃতিতে জিসিসি হরমুজ প্রণালিতে সৌদি আরব ও কাতারের তেলবাহী জাহাজের ওপর হামলার নিন্দা জানায়। সংগঠনটির দাবি, এসব হামলা আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য হুমকি তৈরি করেছে।
জিসিসির সদস্য দেশ বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত জানায়, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর যেকোনো একটির বিরুদ্ধে হামলাকে পুরো জোটের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। জোটের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানের এসব পদক্ষেপ আঞ্চলিক নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
জিসিসি হরমুজ প্রণালিতে অবাধ ও নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন অনুসরণের আহ্বান জানায়।
সূত্র: গালফ নিউজ