শুক্রবার (২১ আগস্ট) চিকিৎসকদের সঙ্গে এক বৈঠকে পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান বর্তমানে শক্তিশালী ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে থাকায় যুদ্ধ শেষ করার জন্য এটাই উপযুক্ত সময়।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইরানের অবস্থানকে স্বীকার করছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের স্কুল, হাসপাতাল ও বিভিন্ন অবকাঠামোয় হামলা চালিয়ে আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘন করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ কারণে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বিরূপ মনোভাব তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন পেজেশকিয়ান।
গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা স্মারক নিয়েও কথা বলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট। দেশটির কট্টরপন্থী আইনপ্রণেতাদের একাংশ ওই সমঝোতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড় দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিল।
জবাবে পেজেশকিয়ান বলেন, ওই সমঝোতার কোথাও ইরানের আত্মসমর্পণের কোনো বিষয় নেই। বরং এতে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব অপর পক্ষের ওপরই রয়েছে।
এদিকে সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ইরানের সামরিক নেতৃত্ব নতুন কোনো হুমকির মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে।
ইরানের গণমাধ্যমে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহির বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়েছে, স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথের পাশাপাশি বিমান প্রতিরক্ষা এবং সাইবার সক্ষমতা ব্যবহার করেও সম্ভাব্য হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে ইরান।
নতুন কোনো হুমকি এলে তার জবাব অত্যন্ত কঠোর হবে বলেও সতর্ক করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী।