রয়টার্সের মঙ্গলবারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই পক্ষই আবার আলোচনায় ফেরার বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে। সম্ভাব্য বৈঠকটি শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে হতে পারে, যদিও নির্দিষ্ট সময় এখনো ঠিক হয়নি।
এই সম্ভাবনার খবর সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। তেলের দাম কমে ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত।
অন্যদিকে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। সেখানে কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে ইরান, আর যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা হিসেবে ইরানগামী জাহাজ চলাচলে বাধা দিচ্ছে। দুই পক্ষই কঠোর অবস্থানে থেকে একে অপরকে নতুন পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে।
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মতপার্থক্যই এখনো সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানকে তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কার্যক্রম সীমিত করতে হবে এবং কঠোর আন্তর্জাতিক নজরদারির আওতায় আসতে হবে।
এদিকে এই টানাপোড়েনের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতেও পড়তে শুরু করেছে।আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলছে, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বড় ধরনের চাপের মুখে পড়বে।