নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে আইআরজিসির সদস্যপদ গ্রহণ, সংগঠনটির পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালানো, এর সভা-সমাবেশে অংশগ্রহণ কিংবা প্রতীক ও চিহ্ন প্রদর্শন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেন, আইআরজিসিকে দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং সেই বিবেচনায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে ইহুদিবিদ্বেষী ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেন। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ আইআরজিসির কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর। বাহিনীটি দেশটির সর্বোচ্চ নেতার সরাসরি তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় পরিচালিত হয়।