মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) এক ব্রিফিংয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানান, প্রণালির কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এবং এর অচলাবস্থার ফলে সৃষ্ট প্রভাব কমাতে কাতার সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগ করে যাচ্ছে। তার ভাষায়, এই জলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত দায়িত্ব।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, চলমান সংকটের সমাধান আঞ্চলিক পর্যায়েই খুঁজে বের করা উচিত। বিশেষ করে উপকূলবর্তী দেশ এবং যেসব রাষ্ট্র এই রুটের ওপর নির্ভরশীল, তাদের সক্রিয় সম্পৃক্ততা প্রয়োজন।
কাতার জানিয়েছে, পাকিস্তানে নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং তারা এ উদ্যোগকে সমর্থন করছে। শুরু থেকেই দেশটি টেকসই সমাধান ও কার্যকর যুদ্ধবিরতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে।
ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পারস্য উপসাগরের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ হয়ে পড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি এলেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ১৩ এপ্রিল থেকে সেখানে নৌ অবরোধ কার্যকর করে।
এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে অবরোধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, এতে ইরান আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে এবং পুরো অঞ্চলের নৌ চলাচল ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
অন্যদিকে, ইরান প্রণালির ওপর নিজেদের কর্তৃত্বের স্বীকৃতি দাবি করে সতর্কবার্তা দিয়েছে, যাতে যুদ্ধবিরতির সময়কে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানোর কাজে ব্যবহার না করা হয়।