সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ দুর্যোগে অন্তত ২২ হাজার ৬১৯ জন বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩৪ জনে। পাশাপাশি ৮৫৫টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ১৮৯টি ভবন সম্পূর্ণভাবে ধসে পড়েছে।
রদ্রিগেজ জানান, গত বুধবারের মূল ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত ৬০৯টি পরাঘাত (আফটারশক) রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবারও একটি তুলনামূলক শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হলেও তা থেকে বড় ধরনের নতুন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) সতর্ক করে জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সংস্থাটির মূল্যায়নে, শেষ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে, যার সম্ভাবনা প্রায় ৪৪ শতাংশ।
উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের খোঁজে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কর্মকর্তাদের ধারণা, অনেক মানুষ এখনো নিখোঁজ থাকায় হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।