প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের বক্তব্য হলো, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংলাপ চালিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজন রয়েছে। সে কারণেই খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।
একই প্রতিবেদনে বলা হয়, খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর আগামী ১১ জুলাই পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন দফার আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরান, কোম ও মাশহাদে অনুষ্ঠিতব্য জানাজার নামাজে ইমামতি করবেন দেশটির জ্যেষ্ঠ ধর্মীয় আলেমরা। প্রয়াত নেতার পুত্র এবং বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনি এখন পর্যন্ত কোনো শোকানুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অংশ নেননি। তার পরিবর্তে পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন শ্বশুর গোলাম-আলি হাদ্দাদ আদেল।
শনিবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। এর আগের দিনের রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি অংশ নিলেও কোনো রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান উপস্থিত ছিলেন না।
সূত্র: অ্যাক্সিওস, ইরান ইন্টারন্যাশনাল।