ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের আমদানি পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার জন্য দেওয়া হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনে ভারত ইউক্রেনে হামলার জন্য মস্কোকে শক্তি জোগাচ্ছে। তবে রাশিয়ার ওপর সরাসরি কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার বিষয়ে তিনি এখনও সংযম দেখিয়েছেন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর এই শুল্কের বিরোধিতা করেছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে, একই মানদণ্ড চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়নি। উল্লেখ্য, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও রাশিয়ার এলএনজি’র সবচেয়ে বড় আমদানিকারক।
ট্রাম্প তার পোস্টে আরও বলেন, "খুব কম লোকই বোঝে যে আমরা ভারতের সঙ্গে খুব কম ব্যবসা করি, কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে ব্যবসা করে।" তিনি ভারতের উচ্চ শুল্ককে দায়ী করেন, যা মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভারতে পণ্য বিক্রি করতে বাধা দিচ্ছে। তিনি এই পরিস্থিতিকে 'সম্পূর্ণ একতরফা বিপর্যয়' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এছাড়া ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ভারত তার বেশিরভাগ তেল ও সামরিক পণ্য রাশিয়া থেকে কেনে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতির অন্যতম কারণ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়াও মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে ট্রাম্পের কোনো ভূমিকা ছিল না বলে ভারতের দাবির বিষয়টিও তাকে বিরক্ত করেছে