পুলিশ জানায়, কাতারে সরকারি প্রকল্পে বিনিয়োগের সুযোগ দেখিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ধাপে ধাপে ১১ লাখ ২৭ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে তাকে জাল ভিসা ও ভুয়া বিমান টিকিট সরবরাহ করা হয়।
ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইলে তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় প্রতারণা, জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি একাধিক পরিচয় ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নাম ও পদবি ব্যবহার করে বিদেশে চাকরি ও বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ সংগ্রহ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া অনলাইন প্রচারণা, ফেসবুক পেজ পরিচালনা এবং বিভিন্ন প্রমোশনাল কার্যক্রমের আড়ালে তার একটি নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। বিদেশে অবস্থানকালেও তিনি একই ধরনের প্রতারণা চালিয়ে যান এবং পরে দেশে ফিরে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ আরও জানায়, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় তার বিরুদ্ধে পূর্বে জারি হওয়া একটি গ্রেফতারি পরোয়ানার তথ্য পাওয়া গেছে। সেইসঙ্গে একই ধরনের প্রতারণার আরও একাধিক অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।