সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে রনি বলেন, “যখন আল্লাহ নিজেই কোনো বান্দার অভিভাবক হয়ে যান, তখন আমরা তাকে আল্লাহর মাল বলি। বর্তমানে আওয়ামী লীগের ভোটার ও নেতাকর্মীদের অবস্থাও ঠিক তেমন।”
তিনি অভিযোগ করেন, দলের অনেক শীর্ষ নেতা পালিয়ে আছেন, আর যারা এলাকায় রয়েছেন, তারা বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে গোপনে আলোচনায় ব্যস্ত। “নেতাকর্মীরা তাদের কাছে গেলে বলেন—‘চুপ থাকো, নিজের অবস্থাই টিকিয়ে রাখতে পারছি না।’”
রনি বলেন, সাধারণ ভোটাররা এখন দিকহারা ও বিভ্রান্ত। ক্ষমতা হারিয়ে তারা দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারছে না—রাতে এক পক্ষকে, দিনে অন্য পক্ষকে আশ্বাস দিচ্ছে।
তার মতে, আওয়ামী লীগের ভোটাররা কী করবে, তা এখন বলা কঠিন। “তারা শেখ হাসিনার নির্দেশে ভোট বর্জন করবে, নাকি নিজেরা ভোটকেন্দ্রে যাবে—এটা সময়ই নির্ধারণ করবে।”
তবে তিনি মনে করেন, গত ১৪ মাসে আওয়ামী লীগের অবস্থান পুরোপুরি ধ্বসে পড়েনি; বরং ধীরে ধীরে পরিস্থিতি কিছুটা নিরপেক্ষ হয়ে আবারও দলটিকে ঘিরে ইতিবাচক আলোচনা শুরু হয়েছে দেশে।