আগামী ৭ এপ্রিল বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও সুস্থ পৃথিবী গড়ার আহ্বান জানায়।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ধাপে ধাপে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, যার বেশিরভাগই নারী। পাশাপাশি ই-হেলথ কার্ড চালু, জটিল রোগের চিকিৎসায় দ্রুত সেবা নিশ্চিতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ, স্বাস্থ্যবিমা সম্প্রসারণ, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণায় জোর এবং সেবার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে। এসব বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি বলেন, মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশ—এই তিনের সুস্থতা একে অপরের সঙ্গে জড়িত। ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণার ভিত্তিতে সমন্বিত গবেষণা ও প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রযুক্তির অগ্রগতির প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সুলভ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তির বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে এআই, ভিআর ও মেশিন লার্নিংয়ের মতো উদ্ভাবনকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম’—এই নীতিতে সরকার সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। কারণ, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার।
দিবসটি উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুস্থ ও সবল জাতি গড়ে তোলা সম্ভব।