চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের বাজারে সুবিধা তৈরি হলেও তুলা ও বোয়িংসহ বিভিন্ন আমদানির শর্ত এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গ এখন আলোচনায় এসেছে। নির্বাচনের পর নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই বিষয়টি আবার সামনে আসে, যখন মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর ঢাকা সফরে এসে চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করেন। এরপর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানান, তৎকালীন সরকার ও বিরোধী পক্ষের সমঝোতায়ই চুক্তিটি হয়েছিল।
চুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সময় বাড়ানো এবং বিষয়টি সংসদে আলোচনার দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ূন কবীর মনে করেন, সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানানো সম্ভব এবং জাতীয় স্বার্থে বিষয়টি সংসদে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
অন্যদিকে পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজের মতে, চুক্তির কিছু শর্ত বাংলাদেশের নীতি-স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। তার মতে, সমাধান আসবে মূলত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই, সংসদীয় বিতর্কে নয়।
রমজানে স্বল্প সময়ের অধিবেশনের পর আসছে রোববার আবার বসছে সংসদ। ফলে এই চুক্তি আলোচনায় উঠবে কি না, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, দেশের অর্থনীতি ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে সরকার সব চুক্তি বাস্তবায়নে এগোবে, তবে আগে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
সরকারের অবস্থান, জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে অটল থাকা।