সোমবার (৫ অক্টোবর) সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, বিমানগুলো সেখানে রাখা হলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে—এমন তথ্য পাওয়ার পর সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়। হুমকির সঙ্গে ইরানের সংশ্লিষ্টতা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে।
সম্প্রতি ইরানের ওপর মার্কিন হামলায় ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে থাকা এসব বোমারু বিমান ব্যবহার করা হয়েছিল। ন্যাটোর এক সামরিক সূত্রও জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যে থাকা মার্কিন সামরিক সম্পদের জন্য ইরানকে এখনো বড় ধরনের হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে ইরান ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন। এর আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ডস ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিকে বৈধ লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছিল।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, অতিরিক্ত সতর্কতার অংশ হিসেবে বিমানগুলো সরানো হয়েছে। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, বিমান সরানোর সঙ্গে ইরানের কথিত ষড়যন্ত্রের সরাসরি সম্পর্ক নেই; প্রয়োজন অনুযায়ী পেন্টাগন নিয়মিতই সামরিক সম্পদ সরিয়ে থাকে।