বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি জাতীয় ঐক্য, সহনশীলতা ও বিভাজন এড়িয়ে চলার ওপর গুরুত্ব দেন। তারেক রহমান বলেন, দেশের বিরুদ্ধে সক্রিয় একটি গোষ্ঠী সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে, তাই ঐক্য বজায় রাখা জরুরি।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যক্তিদের হাতে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মরণোত্তর পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষায় অবদানের জন্য তিনি এ সম্মান পান। মরণোত্তর সম্মাননা পান আরও ছয়জন, যার মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ, সাহিত্য, সমাজসেবা ও প্রশাসনে অবদান রাখা ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে জীবিত ও প্রয়াত সম্মাননাপ্রাপ্তদের পক্ষে পরিবারের সদস্যরা এবং স্বনামধন্য ব্যক্তিরা পুরস্কার গ্রহণ করেন।
এ বছর আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কারে মনোনীত করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পিকেএসএফ, এসওএস শিশু পল্লী এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।