জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে এবার মোট ১৫ জন ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও পুরস্কার প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
এবার সাতজনকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন খালেদা জিয়া ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী, সমাজসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মাহেরীন চৌধুরী, সংস্কৃতিতে বশির আহমেদ এবং জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান।
বিভিন্ন খাতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আরও যারা পুরস্কার পেয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় সাইদুল হক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মুকিত বাবু)।
এবার পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকেও এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসা ক্ষেত্রে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, পল্লী উন্নয়নে পিকেএসএফ, জনসেবায় এসওএস শিশু পল্লী এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এ তালিকায় রয়েছে।
স্বাধীনতা পুরস্কারকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রদান করা হচ্ছে। বিজয়ীদের হাতে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের পদক, রেপ্লিকা, ৩ লাখ টাকা এবং সম্মাননাপত্র তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জুবাইদা রহমান, সেলিমা ইসলাম, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সালাহউদ্দিন আহমদসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।