আজ রোববার (৭ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘শহীদ পিন্টু স্মৃতি পরিষদ’-এর ব্যানারে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় আবেগভরা কণ্ঠে তিনি এ দাবি জানান। স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে উত্থাপিত তথ্যের ভিত্তিতে তিনি বলেন—পিলখানা হত্যাকাণ্ড ও তার স্বামীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে না।
কল্পনা অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে হাইকোর্ট এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর পিন্টুকে সিআইডি কার্যালয় ও উত্তরা টিএফ সেলে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। তাকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তর করে জোরপূর্বক বক্তব্য আদায়ের চেষ্টা করা হয়। তার ভাষায়—“পিন্টুকে বারবার চাপ দেওয়া হয়েছিল বিএনপি নেতৃত্বকে দায়ী করে স্বীকারোক্তি দিতে।”
তিনি দাবি করেন, পিন্টুকে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে রাজশাহী কারাগারে পাঠানো হয় এবং সেখানে পরিকল্পিতভাবে তার মৃত্যু ঘটানো হয়। পাশাপাশি পরিবারকেও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “আমার স্বামীকে হত্যার পাশাপাশি আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।”
নাসিমা আরও জানান, স্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে বর্তমান আইজিপি বাহারুল আলমের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে, যা তদন্তকে ভিন্ন দিকে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, “যারা ভুয়া তথ্য দিয়েছে বা ঘটনার সত্য লুকিয়েছে—সবার বিচার চাই। অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিক।”
সমাবেশে পিন্টুর ছেলে নাহাম আহমেদ, যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিক আহমেদ ডলার এবং স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সেলিমসহ পিন্টুর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা বক্তব্য দেন।