লেবাননের টেলিভিশন চ্যানেল আল মায়াদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাগচি জানান, জেনেভা আলোচনা শেষে শুক্রবার দেশে ফেরেন তিনি। পরদিন সকালে খামেনির কার্যালয়ে গিয়ে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট দিচ্ছিলেন। ঠিক তখনই শুরু হয় বিমান হামলা।
তিনি সাক্ষাৎকারে বলেন, হামলায় ভবনের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তিনি ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন। তবে সেই সময় নিজের বাঁচা-মরার কথা মাথায় আসেনি। পুরো সময়জুড়ে তিনি শুধু খামেনির নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বিগ্ন ছিলেন।
আরাগচি বলেন, হামলার পরের প্রায় ৪৮ ঘণ্টা ছিল খুবই কঠিন। পরে তিনি নিশ্চিত হন যে সুপ্রিম লিডার আর বেঁচে নেই।
তিনি আরও জানান, হামলার আগে খামেনিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা নাকচ করে দেন। খামেনির বক্তব্য তুলে ধরে আরাগচি বলেন, “দেশের সাধারণ মানুষ নিরাপদে না থাকলে আমি নিজেও নিরাপদ আশ্রয়ে যাব না। জনগণ যা সহ্য করবে, আমিও তাই সহ্য করব।”
আরাগচির দাবি, যুদ্ধের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত খামেনি সরাসরি নির্দেশনা দিয়ে গেছেন এবং মানুষের হৃদয়ে গভীর জায়গা করে নিয়েছিলেন।
সূত্র: এনডিটিভি