শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরা হয়। গারগাশের মতে, প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি ইরানের সাম্প্রতিক আচরণ আস্থার সংকট তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, ইরানের একতরফা কোনো উদ্যোগের ওপর নির্ভর করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা বা স্বাধীনতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বরং এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন ও যৌথ বৈশ্বিক উদ্যোগই কার্যকর সমাধান দিতে পারে।
এদিকে, কোনো ধরনের শর্ত ছাড়াই দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আমিরাত। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শেখ খলিফা শাহিন আল মারার বলেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বৈশ্বিক বাণিজ্য ও গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিরাপত্তাকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানান, সমুদ্রপথে অবৈধ হস্তক্ষেপের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে ঐক্যবদ্ধ হতে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের অবরোধের কারণে প্রায় দুই মাস ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে এবং জ্বালানির দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।