শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হামলার পেছনে ইরানের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, তার ধারণা, ইরান সম্ভবত এ ঘটনায় জড়িত।
এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে। সংঘাতের অবসান হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের তেল উৎপাদন এলাকা থেকে লোহিত সাগরের উপকূল পর্যন্ত অপরিশোধিত তেল পরিবহনে ব্যবহৃত হয় ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনটি। বৃহস্পতিবার আকাশপথে হামলার পর এর কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
হামলায় কয়েকজন আহত হওয়ার পাশাপাশি পাইপলাইনটির অবকাঠামোরও ক্ষতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনগুলো ইরাকের ভূখণ্ড থেকে উড্ডয়ন করেছিল।
তবে হামলার দায় স্বীকার কিংবা এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগের বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও তীব্র করতে পারে।