নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, সৌদি আরবের তেল অবকাঠামোয় হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ইরাকে অভিযান চলছে।
এর আগে শুক্রবার সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, ইরাকের দিক থেকে ছোড়া একটি ড্রোন দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে আঘাত হেনেছে। এ ঘটনার পর অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এর মধ্যেই ইরান সীমান্তে শালামচেহ ক্রসিং বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় ইরাক। নিরাপত্তা সূত্রগুলোর ভাষ্য, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্তে সতর্কতা বাড়াতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলীয় এলাকায় ইরান-সমর্থিত হুথিদের অগ্রযাত্রা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে সৌদি আরবের। এ পরিস্থিতিতে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্যক্তিগতভাবে আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বলে জানিয়েছে সিবিএস নিউজ।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, যুবরাজের অনুরোধের পরও সরাসরি সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পৃক্ত করার সিদ্ধান্ত নেননি ট্রাম্প। তবে হুথিদের বিরুদ্ধে লক্ষ্য নির্ধারণ ও গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে ওয়াশিংটন।