তেহরান শুরু থেকেই বলে আসছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সমঝোতার প্রধান শর্ত হতে হবে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করা। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, লেবাননে হামলা চলতে থাকলে তারা সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে পারে। এর মধ্যেই হিজবুল্লাহ নেতা নাঈম কাসেম মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তবে এ বিষয়ে এখনো ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র বা লেবানন সরকারের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের সেনা সরানো হবে না এবং সামরিক অভিযানও চলবে। চলতি সপ্তাহেও দক্ষিণ লেবাননে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।
অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দাবি করেছেন, যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে এখন শত্রুরা ইরানের ভেতরে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তেহরান আবারও তেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, আটকে থাকা অর্থ ছাড় এবং হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই পারস্য উপসাগরে মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে নতুন সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। যদিও ওয়াশিংটন এখনো কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলছে, তবে পরিস্থিতি দেখে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা—লেবানন ইস্যু ঘিরে ইরান যুদ্ধ আরও বড় আকার নিতে পারে।