রোববার (২ আগস্ট) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প দাবি করেন, সোমবার (৩ আগস্ট) ইরানের সঙ্গে নতুন দফায় আলোচনা শুরু হবে।
তিনি আরও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় ছিল। তবে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধে শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
ট্রাম্পের ভাষ্য, তিনি সৌদি যুবরাজকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, হামলা নাকি চুক্তি—কোনটি তারা চান। জবাবে আলোচনার মাধ্যমেই সংকট সমাধানের পক্ষে মত দেওয়া হয়। এরপরই তিনি ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার কথা জানান।
তবে সোমবার (৩ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই ট্রাম্পের এ বক্তব্য নাকচ করে দেন। সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার কোনো পরিকল্পনা নেই। কোনো ইরানি প্রতিনিধিদল ওয়াশিংটনে যাচ্ছে না, আবার কোনো মার্কিন প্রতিনিধিদলও তেহরানে যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্যের বাস্তবভিত্তি নেই। বর্তমানে ইরানের অগ্রাধিকার হচ্ছে ওমানের সঙ্গে হরমুজ প্রণালি–সংক্রান্ত আলোচনা সম্পন্ন করা, যাতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ এ নৌপথে তেলবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক থাকে।
এদিকে রোববার (২ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপিত এক প্রতিবেদনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তেহরানের দাবি, সাম্প্রতিক সংঘাতের পর এ প্রণালির পরিস্থিতি আর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না।