আইআরজিসির ভাষ্য, যুদ্ধবিরতির সময়সীমার মধ্যে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী একটি ক্ষেপণাস্ত্রও নিক্ষেপ করেনি। যদি কোথাও হামলার ঘটনা ঘটে থাকে, তবে সেটি ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের ‘উসকানিমূলক তৎপরতা’ হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেয় সংস্থাটি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরান কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিলে তা আনুষ্ঠানিকভাবেই জানানো হবে—গোপনে নয়। তাই সরকারি ঘোষণার বাইরে ঘটনার দায় তেহরান নেবে না। একই সঙ্গে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে যুদ্ধবিরতি ভাঙার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে চলায় অটল রয়েছে বলে জানিয়ে আইআরজিসি বলেছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের প্রস্তুতি সবসময় রয়েছে।
এদিকে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করে বলেছেন, যুদ্ধবিরতি সম্মান করা এবং লেবাননে হামলা বন্ধে সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।
উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া সংঘাতের জেরে কয়েক সপ্তাহের তীব্র লড়াইয়ের পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।