মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খাজা আসিফ বলেন, সাম্প্রতিক কয়েক দিনের ঘটনাপ্রবাহ থেকে বোঝা যাচ্ছে, শান্তি বা সমঝোতার দিকে পরিস্থিতি এগোচ্ছে। তার মতে, গত দুই-তিন দিনের বিভিন্ন সংকেত দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতার সম্ভাবনাকে জোরালো করেছে।
এদিন তেহরানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি। বৈঠকের বিষয়টি আরাঘচির টেলিগ্রাম চ্যানেলেও জানানো হয়। তবে আলোচনার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
অন্যদিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, হরমুজ প্রণালির পরিচালনা ও নৌ চলাচল নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা বেশ অগ্রসর হয়েছে। চলমান সংকটে পাকিস্তান ও কাতার দুই দেশই মধ্যস্থতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সমঝোতার সম্ভাবনা সামনে আসায় আন্তর্জাতিক বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে। এর আগে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের দর এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল। তবে সংঘাত শুরুর আগের তুলনায় দাম এখনও বেশি রয়েছে।
এর আগে ইরান জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের জন্য নতুন রুট নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে তারা চূড়ান্ত সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে তেহরান স্পষ্ট করেছে, শুধু এই চুক্তির ভিত্তিতে প্রণালিটি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে কয়েকটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে।