শনিবার আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি রুশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লাভরভ এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি পরে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়। সেখানে তিনি ইরান ও ভেনেজুয়েলার প্রসঙ্গ টেনে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিকে সরাসরি তেলের সঙ্গে যুক্ত করেন।
লাভরভ দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যেই বলে থাকে যে কোনো দেশ তাদের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারবে না এবং তারা শুধুই নিজেদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়। তার ভাষায়, এই নীতির পেছনে মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে বৈশ্বিক জ্বালানি সম্পদের নিয়ন্ত্রণ।
তিনি আরও বলেন, ভেনেজুয়েলা ও ইরানে মার্কিন হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে জ্বালানি তেলের বিষয়টি কেন্দ্রীয় ভূমিকা রেখেছে, যা এখন আর আড়াল করা হচ্ছে না। তার মতে, বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তার এবং জ্বালানি বাজার নিয়ন্ত্রণই যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কৌশল।
লাভরভের মূল্যায়নে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনকে দুর্বল করে দিয়েছে। তার ভাষায়, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় আইন নয়, বরং শক্তির প্রভাবই বেশি কার্যকর হয়ে উঠছে।