তিনি বলেন, একদিকে ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা জারি রাখা হচ্ছে, অন্যদিকে আবার আলোচনার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এই দুই ধরনের অবস্থানকে তিনি অসংগত ও অবাস্তব বলে উল্লেখ করেন।
ইরনা–এর বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানায়, পেজেশকিয়ান অভিযোগ করেন যুক্তরাষ্ট্র “সর্বোচ্চ চাপ” নীতির মাধ্যমে ইরানের অর্থনীতিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে, আবার একই সময়ে আলোচনার টেবিলে বসার প্রত্যাশাও করছে।
তার ভাষায়, এ ধরনের দ্বিমুখী আচরণ কোনোভাবেই কার্যকর কূটনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে পারে না। বরং এতে আস্থা আরও কমে যায়।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, চাপ ও হুমকির মধ্যে ইরান কোনো ধরনের আলোচনায় যাবে না। তার মতে, আগে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের একতরফা অবস্থান ও দাবি থেকে সরে আসতে হবে, তারপরই অর্থবহ সংলাপ সম্ভব।