রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ জানায়, ইরানের গোয়েন্দা বিভাগ দেশটির ছয়টি প্রদেশে একযোগে এই অভিযান চালায়। অভিযানে মোসাদ সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজনদের পাশাপাশি অস্ত্র পাচার নেটওয়ার্ক ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের সদস্যদেরও গ্রেপ্তার করা হয়।
এই ঘটনার সময়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মোসাদ প্রধান ডেভিড বার্নিয়া প্রকাশ্যে ইরানে সংস্থাটির সক্রিয় উপস্থিতির ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘টাইমস অব ইসরায়েল’ সূত্রে জানা যায়, এক স্মরণ অনুষ্ঠানে বার্নিয়া দাবি করেন, সাম্প্রতিক উত্তেজনার সময় মোসাদ শুধু তথ্য সংগ্রহই নয়, ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে সহায়তাও করেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে বিমান বাহিনীকে লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা করা হয়েছিল এবং ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে ভূমিকা রাখা হয়েছে।
বার্নিয়া আরও জানান, সংঘাত থেমে গেলেও তাদের কার্যক্রম শেষ হয়নি। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত ছিল, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ এবং লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত তা চলবে। তিনি এটাও বলেন, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত তাদের কৌশলগত লক্ষ্য পূর্ণ হবে না।