রোববার (২ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের নৌ ও বিমান সক্ষমতা, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উৎক্ষেপণ অবকাঠামো এবং অস্ত্র উৎপাদনের বিভিন্ন স্থাপনা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। এতে দেশটির সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে তিনি স্বীকার করেন, ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। তার ভাষায়, দেশটির কাছে এখনও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে, যা প্রয়োজনে হামলার সক্ষমতা রাখে।
রুবিও আরও বলেন, আগে যেসব সামরিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে ইরান নিজেদের নিরাপদ মনে করত, সাম্প্রতিক হামলার পর সেগুলোর কার্যকারিতা অনেকটাই কমে গেছে। এ কারণে বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক আলোচনার পথই তেহরানের জন্য সবচেয়ে বাস্তবসম্মত বিকল্প হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।