গাজা সংঘাত চলাকালে লোহিত সাগরে হুতিদের হামলায় বৈশ্বিক নৌপরিবহন ও বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছিল। একই ধরনের পদক্ষেপ আবারও নিতে পারে তারা—এমন সতর্কবার্তাও দিয়েছেন ওই নেতা। এতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারসহ অর্থনীতিতে নতুন করে চাপ তৈরি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাত বিস্তৃত হলে ইয়েমেন উপকূলঘেঁষা বাব আল-মানদেব প্রণালি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে। এই জলপথটি সুয়েজ খালের সঙ্গে সংযুক্ত বাণিজ্য রুটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে এর কৌশলগত গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের পর লেবানন ও ইরাকভিত্তিক ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো ইতোমধ্যে সক্রিয় হয়েছে। যদিও হুতিরা এখনো সরাসরি যুদ্ধে নামেনি, তবে তাদের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে।
পরিচয় গোপন রেখে হুতি নেতাটি বলেন, তাদের বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নেতৃত্ব পরিস্থিতি বিবেচনা করে সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান প্রতিপক্ষকে কঠিন চাপে রাখছে এবং সংঘাতের গতিপ্রকৃতি তাদের অনুকূলে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে হামলার পর গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু হয়। সে সময় ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে হুতিরা লোহিত সাগরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালায়। পরে ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি হলে তারা ওই হামলা স্থগিত করে।