সোমবার (১৮ মে) রয়টার্সকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের এক কূটনৈতিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্রটি জানায়, ওয়াশিংটন ও তেহরানের অবস্থানের মধ্যে এখনো বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। তবে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠছে বলে আলোচনায় বেশি সময় নেওয়ার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করে, দুই দেশই বারবার নিজেদের শর্ত ও অবস্থান পরিবর্তন করছে, যা সমঝোতার পথকে আরও কঠিন করে তুলছে।
এদিকে তেহরানে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের কোনো বৈরী সম্পর্ক নেই। তিনি জানান, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পর্দার আড়ালে যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
বাকায়ি আরও দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। সাম্প্রতিক পরিস্থিতি থেকে আঞ্চলিক দেশগুলোর শিক্ষা নেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরান নতুন কৌশলগত ব্যবস্থা তৈরির কাজ করছে বলেও জানান ইরানের এ মুখপাত্র। এ বিষয়ে ওমানের সঙ্গে তেহরানের নিয়মিত আলোচনা চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।