ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, যুদ্ধ থামাতে হলে প্রথমত ইরানের বৈধ অধিকার স্বীকার করতে হবে, দ্বিতীয়ত ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং তৃতীয়ত ভবিষ্যতে আগ্রাসন ঠেকাতে শক্ত আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা দিতে হবে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স–এ দেওয়া এক বার্তায় এসব শর্ত তুলে ধরেন।
এদিকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে। বাহিনীর মুখপাত্র আবলফজল শেকারচি রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং–কে বলেন, ওয়াশিংটন যদি ইরানের বন্দর স্থাপনায় হামলা চালায়, তাহলে পারস্য উপসাগর অঞ্চলের কোনো বন্দর বা অর্থনৈতিক স্থাপনাই পাল্টা আঘাতের বাইরে থাকবে না।
এই সতর্কতার আগে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ফার্সি ভাষার এক্স অ্যাকাউন্টে ইরানের বন্দর এলাকায় চলমান নৌ-অভিযান থেকে সাধারণ মানুষকে দূরে থাকার আহ্বান জানায়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা তীব্র আকার নেয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। সেদিন যৌথ অভিযানে তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানো হয়। ইরানের দাবি, ওই হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা এবং বেসামরিক মানুষ নিহত হন।
এর পাল্টা জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-সম্পৃক্ত স্থাপনা লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।