সোমবার (১৫ জুন) পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে শেহবাজ শরিফ জানান, কয়েক মাসের সংঘাত ও কূটনৈতিক তৎপরতার পর যে সমঝোতায় পৌঁছানো গেছে, তার আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হবে জেনেভার অনুষ্ঠানে।
তিনি বলেন, যুদ্ধের অবসান এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে আলোচনার পুরো প্রক্রিয়ায় সহায়তাকারী দেশ ও পক্ষগুলোর ভূমিকাও তুলে ধরেন তিনি।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে তার দেশ গর্বিত। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই ইসলামাবাদ এই অনুষ্ঠানের আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
এর আগে স্থানীয় সময় ভোরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। এর কিছু সময় আগে শেহবাজ শরিফও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে জানান।
চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।