তেহরানভিত্তিক রক্ষণশীল ধারা অনুসরণকারী গণমাধ্যম ‘হামশাহরি’র অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত ওই ইনফোগ্রাফিকে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকজন শীর্ষ নেতার ছবি স্থান পায়। তবে তালিকাটি ইরানের সরকার বা রাষ্ট্রীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে এক বিবৃতিতে ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তার বাবার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে এবং জাতির প্রত্যাশা পূরণে ইরান প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
প্রকাশিত তালিকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের নাম ও ছবি দেখা গেছে। এছাড়া ইউরোপীয় কয়েকজন শীর্ষ নেতার ছবিও সেখানে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তবে গণমাধ্যমটিতে প্রকাশিত তালিকাটি শুধুমাত্র অনলাইন সংস্করণে দেখা গেছে; পরদিন প্রকাশিত মুদ্রিত সংস্করণে এটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
ইরানের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সংঘাত চলাকালে কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ও লজিস্টিক সহায়তা দিয়েছে, যার ফলে তারা ওই সংঘাতের অংশীদার হয়ে উঠেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য ও প্রতীকী বার্তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নতুন করে কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।