এই পূর্বাভাস বাস্তবে রূপ নিলে ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজায় অংশগ্রহণের রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। সে সময় আনুমানিক ১ কোটি ২ লাখ মানুষ জানাজায় অংশ নিয়েছিলেন, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শেষকৃত্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
আসন্ন দাফনকে কেন্দ্র করে ইরানজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। চার মাস আগে নিহত হওয়া আলী খামেনিকে আগামী ৯ জুলাই দাফন করার কথা রয়েছে। বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে।
১৯৮৯ সালের ৬ জুন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজায় নজিরবিহীন ভিড়ের সৃষ্টি হয়েছিল। শোকাহত মানুষের চাপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পদদলিত হয়ে অন্তত আটজন নিহত এবং প্রায় ১১ হাজার মানুষ আহত হন। বিশৃঙ্খলার কারণে সেদিন দাফন স্থগিত করে পরদিন পুনরায় জানাজার আয়োজন করা হয়।
পরবর্তীতে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস খোমেনির জানাজাকে জনসংখ্যার অনুপাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জানাজাগুলোর একটি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন। প্রায় সাড়ে ৩৬ বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এক হামলায় তিনি নিহত হন। বর্তমানে তার দাফনকে ঘিরে দেশজুড়ে শোক ও প্রস্তুতি চলছে।
তথ্যসূত্র: ফক্স নিউজ, এপি।