পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রকেই দায়ী করেছেন ইরানের চলমান অর্থনৈতিক সংকট ও বিক্ষোভের জন্য। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও শত্রুতাই ইরানের জনগণকে কষ্টের মধ্যে ফেলেছে।
গত দুই সপ্তাহে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়, যা দ্রুত বড় আন্দোলনে রূপ নেয়। মূল্যস্ফীতি, মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও বেকারত্বে ক্ষুব্ধ মানুষ রাস্তায় নেমেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইরান সরকার ইন্টারনেট ও মোবাইল যোগাযোগ প্রায় বন্ধ করে দেয়। মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই দমন-পীড়নে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ নিহত ও ২৪ হাজারের বেশি গ্রেফতার হয়েছেন।
এর আগে, খামেনি স্বীকার করেন যে বিক্ষোভে অনেক মানুষ মারা গেছে এবং তাদের মৃত্যুর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেন। তিনি ট্রাম্পকে ‘অপরাধী’ হিসেবে আখ্যা দেন এবং বিক্ষোভকারীদের কঠোর শাস্তির আহ্বান জানান।
বর্তমানে রাস্তায় আপাত শান্তি ফিরলেও তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে খামেনিবিরোধী স্লোগান উচ্চারণ হচ্ছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, খামেনিকে ঘিরে কোনো ভুল পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে বড় সংঘাতের সূত্রপাত করতে পারে।