মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে বেশিরভাগ আগুন নেভাতে সক্ষম হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোতে এখন শীতলীকরণ কার্যক্রম ও নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। পাশাপাশি অবশিষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ অব্যাহত রয়েছে। এ তথ্য প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট আই।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, যা চলমান পরিস্থিতিতে স্বস্তির বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক হামলার পরই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। হামলার লক্ষ্য ছিল রাস লাফানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো।
এর আগে কাতারএনার্জি জানায়, হামলায় তাদের একাধিক তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস স্থাপনা গুরুতর ক্ষতির মুখে পড়েছে। তবে আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ ও মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত জানানো হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান–কাতার উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় অঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্রে হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। পারস্য উপসাগর অঞ্চলের জ্বালানি স্থিতিশীলতা নিয়েও বাড়ছে উদ্বেগ।