শনিবার (৮ আগস্ট) পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন খাজা আসিফ। এর আগের দিন পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হয়।
ইসরায়েল প্রসঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে এ বিষয়ে ঐক্য থাকা জরুরি। তার মতে, ইসরায়েলের হুমকি মোকাবিলায় এককভাবে নয়, সম্মিলিতভাবে অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।
ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে খাজা আসিফ ১৯১৭ সালের ব্রিটিশ বালফোর ঘোষণার প্রসঙ্গ টানেন। তিনি দাবি করেন, ওই ঘোষণার মাধ্যমে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয় এবং এর ফলে দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে।
১৯১৭ সালের বালফোর ঘোষণায় ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার প্রতি ব্রিটিশ সরকারের সমর্থনের কথা জানানো হয়েছিল। পরবর্তীতে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে এ ঘোষণাকে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন খাজা আসিফ। তিনি বলেন, নেতানিয়াহু নির্বাচনে পরাজিত হলেও ইসরায়েলের মৌলিক নীতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে না।
জেরুজালেমের ক্ষমতায় নাফতালি বেনেট কিংবা অন্য কেউ এলেও ইসরায়েলের অবস্থানের পরিবর্তন খুব বেশি হবে না বলে মন্তব্য করেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
এর আগেও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন খাজা আসিফ। একাধিক বক্তব্যে তিনি দেশটিকে মানবতার জন্য অভিশাপ এবং ক্যানসারাস রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করে সমালোচনা করেছেন।