এর প্রতিক্রিয়ায় তীব্র অবস্থান নেয় ইসরায়েল। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন জানান, তারা জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার দাবি, জাতিসংঘ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ভুল ও পক্ষপাতদুষ্ট তথ্য ছড়াচ্ছে।
অন্যদিকে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংলাপ ও আলোচনার পথ এখনো খোলা রয়েছে। সংস্থাটি বলছে, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত ও পর্যালোচনা অব্যাহত আছে।
জাতিসংঘের বিশেষ দূত রিম আলসালেম বলেন, সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত এবং এ বিষয়ে আরও কঠোর তদন্ত প্রয়োজন।
এর আগে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর নির্যাতন ও যৌন সহিংসতার অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল, যদিও ইসরায়েল তা সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে।
এই পুরো পরিস্থিতির পেছনে বড় প্রেক্ষাপট হিসেবে রয়েছে ২০২৩ সালের গাজা যুদ্ধ। সেই সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইসরায়েল ও জাতিসংঘের মধ্যে সম্পর্ক ক্রমাগত টানাপোড়েনে রয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্ত সেই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।