মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে কেন্ট জানান, বিবেকের তাগিদে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধকে সমর্থন করতে পারছেন না। চিঠিটি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স–এ প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ইরান তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো সরাসরি হুমকি ছিল না এবং মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র রাষ্ট্র ইসরায়েল ও তাদের প্রভাবশালী মহলের চাপেই সংঘাতের সূচনা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ বলছেন, মার্কিন আইন অনুযায়ী সরাসরি যুদ্ধ শুরু করতে হলে দেশের ওপর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকা জরুরি। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) পদত্যাগের সময় কেন্টও একই যুক্তি তুলে ধরে বলেন, তেহরান ওয়াশিংটনের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করেনি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, কেন্টের আকস্মিক সিদ্ধান্তে মার্কিন গোয়েন্দা মহলে বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিক মন্তব্য করেনি।
একইভাবে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের দপ্তর থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
কেন্টকে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড–এর ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গ্যাবার্ড জনসমক্ষে খুব কমই দেখা দিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুতে ইরানে নিহত মার্কিন সেনাদের মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া তিনি আর প্রকাশ্যে আসেননি, এবং এখনো এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি দেননি।