রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক পদক্ষেপ সমঝোতা চুক্তির মূল অঙ্গীকারের পরিপন্থী ছিল। তার দাবি, এসব কারণে চুক্তিটি এখন কার্যত ‘মৃত’।
মোহসেন রেজাই অভিযোগ করেন, দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতা, ইরানের স্বীকৃত নৌপথ থাকা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে বিকল্প রুট তৈরির উদ্যোগ, ইরানের ভূখণ্ডে হামলার মাধ্যমে দেশটির সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং অবরুদ্ধ ইরানি সম্পদ মুক্ত না করা—এসবই সমঝোতা স্মারকের শর্ত ভঙ্গের উদাহরণ।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ বজায় রাখা এবং তেহরানকে কৌশলগতভাবে ছাড় দিতে বাধ্য করার লক্ষ্য নিয়ে এই কাঠামোগত চুক্তিতে অংশ নিয়েছিল।
আইআরজিসির এই কমান্ডারের আরও অভিযোগ করেন, ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর ওয়াশিংটন একদিকে আলোচনার প্রক্রিয়া চালিয়ে গেলেও অন্যদিকে সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেছে। তার দাবি, ইরান মানবিক বিবেচনায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও সেই সময়কে কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের নৌ-অবরোধসংক্রান্ত পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়েছে।