সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, সাফা দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘে প্যাট্রিয়টিক ভিশন অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে যেখানে ইরানের ওপর পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনাকে পুরোপুরি অস্বীকার করা যাচ্ছে না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু প্রভাবশালী গোষ্ঠী বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণে অতিরিক্ত প্রভাব ফেলছে, যা সংঘাতকে আরও তীব্র করতে পারে। তার ভাষায়, “আমি এমন কোনো অবস্থানের অংশ হতে চাই না যেখানে মানবতার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ ঘটতে পারে বা আমি নীরব দর্শক হয়ে থাকি।”
তবে এসব অভিযোগের কোনো আনুষ্ঠানিক সত্যতা এখনও মেলেনি। জাতিসংঘও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান–যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল উত্তেজনার মধ্যেই এমন বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগ বাড়াতে পারে। তবে এটি এখনো ব্যক্তিগত দাবি, স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।