সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। রুবিও বলেন, সঠিক নীতিগত সিদ্ধান্ত নিলে ইরানের সামনে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
তিনি বলেন, ইরানের সামনে উল্লেখযোগ্য কিছু অর্জনের সুযোগ রয়েছে। তবে এসব সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নেবে কি না, তা নির্ভর করবে দেশটির রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অবস্থানের ওপর।
রুবিও আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের মতো ইরানও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারে এবং সেখান থেকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। তবে সম্ভাব্য এসব বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্র সরকার বা মার্কিন অর্থায়নের মাধ্যমে আসবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ইরানের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পথচলা অনেকাংশে নির্ভর করবে নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা সংশ্লিষ্ট চলমান আলোচনা ও সমঝোতার অগ্রগতির ওপর।
এর আগে রুবিও ইঙ্গিত দেন, সম্ভাব্য কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হলে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের শুল্ক বা টোল আরোপের সুযোগ থাকবে না। পাশাপাশি তিনি জানান, লেবানন-সংক্রান্ত আলোচনা ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার বাইরে পৃথকভাবে পরিচালিত হবে।